পানিসম্পদমন্ত্রী Shahiduddin Chowdhury Annie বলেছেন, খাল খনন ও পুনঃখনন, পানির প্রবাহ বৃদ্ধি এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার কাজ করছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) University of Dhaka-এর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ম্যানেফেস্টো টু অ্যাকশন: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহারে পানি, নদী ও কৃষি অঙ্গীকার এবং তার বাস্তবায়ন বিষয়ক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার টেকসই পানি সম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার মাধ্যমে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman সর্বোচ্চ জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল ও দূষণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মেধাবীরা ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হলে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি হবে এবং দেশ উপকৃত হবে। জাতীয় কল্যাণ ও জনস্বার্থে মেধাবীদের ছাত্ররাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলার জীবন-জীবিকা, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং নদীর নাব্যতা ফিরে আসবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিশেষজ্ঞ মতামত ও সমীক্ষা শেষ হলে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন Sultan Salahuddin Tuku, নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য Abdul Hannan Masud, সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী এবং সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মো. মোতালেব হোসেন সরকার।