সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খোলা শোকবইয়ে এখন পর্যন্ত ৭২ জন বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
বিএনপির কার্যালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন ৩০ ডিসেম্বর থেকেই শোকবইটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ওই দিন থেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ শোকবইয়ে লিখিত বার্তার মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে যাচ্ছেন।
ভারতের হাইকমিশনার ও চীনের রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে গুলশানের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শোকবইয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন শোকবার্তায় খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং চীন–বাংলাদেশ বন্ধুত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
ভারতের হাইকমিশনার শোকবার্তায় খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করে তাঁর রাজনৈতিক অবদান ও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও সরাসরি গিয়ে অথবা লিখিত বার্তা পাঠিয়ে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দেশে অবস্থানরত প্রায় সব কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা শোকবইয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন। গুলশানের কার্যালয়ে এখনো বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও গণতন্ত্রে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করছেন।