প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন,
“মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—আমরা সবাই মিলে ইনশাল্লাহ একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে আরও জানান, সরকারের মাসিক সম্মানী কর্মসূচির আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত, সেবায়েত এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষদের মাসিক সম্মানী প্রদানের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৬,৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দের তথ্য জানিয়ে দেন, যেখানে ইমাম পাবেন ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার ও খাদেম ২ হাজার টাকা। মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮ হাজার টাকা, প্রধান দায়িত্বশীল পাবেন ৫ হাজার এবং সহকারী ৩ হাজার টাকা।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, দুই ঈদে বছরে দুবার উৎসব বোনাসও প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানটিতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য ধর্ম ও সমাজনেতা উপস্থিত ছিলেন।