ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকার বেশ কিছু জরুরি সেবার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
নির্বাচনের দিন রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মোটরসাইকেলসহ পাঁচ ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে এবং ভোটারদের যাতায়াতের জন্য ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন এবং বিদেশগামী–ফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নির্দেশনায় মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে। ইসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে চলাচলে কোনো বাধা নেই। ভোট দিতে আসা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন ভোটাররা।
ভোটের দিন রাজধানী ও সারা দেশে ট্যাক্সি, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলও বন্ধ থাকবে। তবে নির্বাচন প্রার্থী, এজেন্ট, সাংবাদিক ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।
টেলিযোগাযোগ সেবা স্বাভাবিক রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ, রকেট) লেনদেনের ওপরও সীমা আরোপ করা হয়েছে। বিধিনিষেধ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বলবৎ হয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।