১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য মানদণ্ড স্থাপন করবে

স্টাফ রিপোর্টার
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন। ছবি: সংগৃহীত
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের সদ্য নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, শ্রম আইনের সংস্কার, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ড. ইউনূস বলেন, “সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। ভবিষ্যতের ভালো নির্বাচনের জন্য এটি মানদণ্ড তৈরি করবে।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অংশ নেবেন।

প্রধান উপদেষ্টা দেশের বহির্বিশ্ব নীতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্যপদ লাভের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন জানান, নির্বাচনে যারাই বিজয়ী হোক, তাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ, নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ও অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

ড. ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে আরও শুল্ক হ্রাস সম্ভব হবে।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শিবিরে বসবাসরত এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত