প্রধানমন্ত্রী সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য

স্টাফ রিপোর্টার
 ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার আগামী ৫ বছরে চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে।”

এ সময় তিনি আগামী মাসের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু করারও প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশবাসীকে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।

প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে প্রকল্পটি চালু হচ্ছে। নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা ভাতা পাবেন; তবে পরিবারের অন্য কেউ যদি কোনো সুবিধা পান, তা বহাল থাকবে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করা হয়।

পাইলট পর্যায়ে ৬৭,৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সফটওয়্যার ব্যবহার করে দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণের পর পরিবারের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১,৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাই শেষে ৪৭,৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। চূড়ান্তভাবে ৩৭,৫৬৭ জন নারীপ্রধানকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

সম্পর্কিত