আওয়ামী লীগের সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে।
শুক্রবার রাজধানীতে এডিটর কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কথা বললেও গণতন্ত্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছেন। বর্তমানে দেশে যেসব সমস্যা দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো শক্তিশালী ও কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে না ওঠা।
তিনি দাবি করেন, বর্তমানে গণমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের চাপ নেই। সাংবাদিকরা নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ করছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে স্ব-নিয়ন্ত্রণ (সেলফ সেন্সরশিপ) অনুসরণ করছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা দাবি-দাওয়া সংসদের মাধ্যমে উত্থাপন ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকারের পাঁচ মাসও পূর্ণ হওয়ার আগেই রাজপথে সরকার পতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের বক্তব্যের পরিবর্তে সংশ্লিষ্টদের সংসদে এসে নিজেদের মতামত তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
জুলাই সনদ ও গণভোটসংক্রান্ত বিষয়েও জাতীয় সংসদে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, দাবি থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাকে তিনি গণতান্ত্রিক আচরণ হিসেবে দেখেন না।