রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার (১৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,
“আজকের অনুষ্ঠানে এমন সব মানুষ একত্রিত হয়েছেন, যাদের মানুষ কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তে পরামর্শ প্রত্যাশা করে।” তিনি আরও জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব। নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।”
তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি মানবিক মূল্যবোধ, ধৈর্য, সততা ও সহনশীলতার গুরুত্বও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬,৯৯২ জন ধর্মীয় নেতাকে মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় নেতার জন্য এটি সম্প্রসারিত করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠকে একজন ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—সবাই মিলে আমরা ভালো থাকব। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে।”