গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে টিভি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তা ‘অবিশ্বাস্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। কিন্তু এবার ইরান হামলার দুই সপ্তাহ পার হলেও তিনি প্রকাশ্যভাবে যুদ্ধ সমর্থন বা সমালোচনা করেননি।
নর্থ ক্যারোলাইনার এক সাংবাদিকের প্রশ্নে ভ্যান্স জানান, তিনি ট্রাম্পকে যে পরামর্শ দিয়েছেন, তা গোপন রাখছেন। তিনি যুদ্ধ সম্পর্কে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করতে চাননি। এমনকি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র আটটি পোস্ট হয়েছে, যা মূলত নিহত সেনাদের খবর বা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য শেয়ার করা সংক্রান্ত।
সিনেটর থাকাকালে ভ্যান্স সাধারণত বিদেশি হস্তক্ষেপে অনীহা প্রকাশ করতেন। ২০২৪ সালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে নয়। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এখন তিনি ট্রাম্পের নীতির সমর্থন এবং রাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য প্রকাশ্য অবস্থান এড়িয়ে চলছেন।
ভ্যান্সের এই আচরণকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য নিজেকে নিরাপদ রাখার কৌশল হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও ভ্যান্সকে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা প্রমাণ করে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সুসংগঠিতভাবে কাজ করছেন।
এদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স আশ্বাস দিয়েছেন, এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং ইরাক ও আফগানিস্তানের মতো কয়েক দশক ধরে চলবে না।