পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বগুড়াকে শিক্ষা খাতে মডেল জেলায় রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বগুড়া-কে কেন্দ্র করে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষকদের জন্য শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং তাদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
এ সময় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় পরীক্ষা গ্রহণের সুবিধাসহ মাল্টিপারপাস হল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান।
মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী এবং তার ঘোষণাগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়াকে তিনি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
কৃষক কার্ড কর্মসূচিকে ‘নতুন হালখাতা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সহায়তা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছাবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং মধ্যস্বত্বভোগী কমানোর ওপরও জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলম, আবদুল বারী, ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, আব্দুল মজিদ এবং তৌফিকুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। কার্ডধারীরা সোনালী ব্যাংক-এর মাধ্যমে বছরে ২,৫০০ টাকা সহায়তা, কৃষি উপকরণ ক্রয়, সহজ ঋণ এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। এ কর্মসূচিতে প্রান্তিক, ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।