লক্ষ্মীপুরে প্রচারণায় বাধা, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৬

স্টাফ রিপোর্টার
আহতদের দেখতে হাসপাতালে প্রার্থীরা ছবি: দৈনিক নতুনচাঁদ
আহতদের দেখতে হাসপাতালে প্রার্থীরা ছবি: দৈনিক নতুনচাঁদ

লক্ষ্মীপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মহিলা জামায়াতের কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

রোববার বিকেলে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে রাতে স্থানীয় বাজার এলাকায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের দেখতে রাতে হাসপাতালে যান লক্ষ্মীপুর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে একই রাতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়াও হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

জামায়াতের দলীয় সূত্র জানায়, পোদ্দার বাজারসংলগ্ন একটি বাড়িতে মহিলা কর্মীরা প্রচারণা চালাতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং গালমন্দ করেন। বিষয়টি জানতে পেয়ে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাইন উদ্দিন ঘটনাস্থলে গেলে ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি ইকবাল হোসেনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বিএনপির লোকজন হামলা চালালে ছয়জন জামায়াত নেতাকর্মী আহত হন।

আহতরা হলেন— জামায়াত নেতা মাইন উদ্দিন, কর্মী আবু তৈয়ব, যুব বিভাগের নেতা মো. তারেক, জুয়েল হোসেন, রিয়াদ হোসেন ও রুবেল হোসেন।

তবে সদর উপজেলা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ধানের শীষের প্রচারণাকালে জামায়াতের লোকজন উত্তপ্ত পরিবেশ সৃষ্টি করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক হয়। বড় ধরনের কোনো মারামারি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম জানান, প্রচারণাকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত