লক্ষ্মীপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকায় চুরির অভিযোগে সুজনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: সংগৃহীত
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকায় চুরির অভিযোগে সুজনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনায় সুজন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়াতলি মামুনের দোকান এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযুক্ত সুজন একই এলাকার সেকান্তর মিয়ার ছেলে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এলাকায় সুজন প্রবেশ করলেই বিভিন্ন স্থানে চুরির ঘটনা ঘটে। বাড়ির হাঁড়ি-পাতিল থেকে শুরু করে মোবাইল, মোটরসাইকেল, মাছসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি এলাকার বিভিন্ন বাড়ি ও স্থানে একাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পুকুরের মাছ, একটি ঘরের হাঁড়ি-পাতিল, মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ রয়েছে।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, খাসের বাড়ির কামাল হোসেনের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও স্বর্ণালংকার; আব্দুল গফুরের অটোরিকশা; তামান্নার মোবাইল; ইব্রাহিমের বাইসাইকেল এবং শাহাদাতের পুকুরের মাছ চুরি হয়েছে।

এদিকে মাছ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন নামে এক দোকানিকে মারধরের অভিযোগও উঠেছে সুজনের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় লোকজনও তাকে মারধর করেছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী মো. ইব্রাহিম বলেন, সুজন এলাকায় এলেই চুরির ঘটনা ঘটে। তার বাইসাইকেলও চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দোকানি নাজিম উদ্দিন অভিযোগ করেন, সুজন মাদকাসক্ত এবং মানুষের বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্রসহ চোখের সামনে যা পায় তা নিয়ে যায়। তার কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

অটোরিকশাচালক আব্দুল গফুর বলেন, তার নতুন অটোরিকশা চুরি হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. সুজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারধরের ঘটনায় আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, চোর, ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সুজন চুরির ঘটনায় জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পর্কিত