লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার সর্ববৃহৎ মাছের বাজার হাজির হাট। প্রতিদিন এ বাজারে বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী ও ক্রেতার সমাগম হয়। তবে বাজারে কোনো টহল ঘর না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। বৃষ্টি ও প্রচণ্ড রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে মাছ বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বৃষ্টির সময় ভিজে এবং প্রচণ্ড রোদে কাজ করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দীর্ঘদিনের এমন পরিস্থিতিতে কয়েকজন ব্যবসায়ী মারা গেছেন বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। ফলে বাজারে মাছ কেনাবেচার স্বাভাবিক পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ভিজে ভিজে মাছ বিক্রি করতে হয়। আবার প্রচণ্ড রোদে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এতে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছেন তারা। বাজারে একটি স্থায়ী টহল ঘর নির্মাণ করা হলে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ ও স্বস্তিপূর্ণ পরিবেশে মাছ বিক্রি করতে পারবেন।
তারা দ্রুত হাজির হাটে একটি স্থায়ী টহল ঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
এলাকাবাসী জানান, হাজির হাট কমলনগরের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিদিন এই বাজারকে ঘিরে বিপুল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। বাজারে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা হলে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই উপকৃত হবেন।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত একটি স্থায়ী টহল ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।