প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারকে পাঠ্যক্রমের প্রতি উৎসাহিত করার একটি মাধ্যম। এই উৎসাহমূলক প্রক্রিয়া বাদ দিতে চায় না সরকার।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বৃত্তি পরীক্ষা হলো শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার একটি ব্যবস্থা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তা কিছু কারণে হয়নি। আমরা সেটি চালু রেখেছি এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি বৃত্তির আর্থিক অনুদান বা ইনসেনটিভের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ধরে রাখতে পরিবারকে আর্থিকভাবে উৎসাহিত করার বিষয়েও সরকার চিন্তা করছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে আসুক এবং শিক্ষাক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকুক।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ লক্ষ্যে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়া হবে, যাতে কার্যকর নীতিমালা তৈরি করা যায়।
উপবৃত্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমান আর্থিক অনুদান ব্যবস্থা আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। কোন পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর হবে তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, “লক্ষ্য একটাই—সব শিক্ষার্থীকে ক্লাসরুমে ফিরিয়ে আনা। এজন্য প্রয়োজন হলে আর্থিক প্রণোদনার কাঠামো পরিবর্তন করা হবে।”