প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬: নতুন নীতিমালা জারি

স্টাফ রিপোর্টার
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ জারি করেছে। নতুন নীতিমালার আওতায় ২০২৬ সাল থেকে বৃত্তিসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের পরীক্ষাও এই নীতিমালার আলোকে অনুষ্ঠিত হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা চারটি বিষয়ভিত্তিক হবে—বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত)—প্রতিটিতে ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট। বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ের ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর প্রয়োজন।

বৃত্তি দুটি ধরনের—ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাত্র ও ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ, বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা বা থানা ভিত্তিক, আর সাধারণ বৃত্তি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে বিতরণ করা হবে।

বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত কোনো অনিয়ম বা অবহেলার ক্ষেত্রে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। নীতিমালা জারি হওয়ার পূর্বে ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি নীতিমালা বাতিল হবে।

সম্পর্কিত