একসঙ্গে খেলেই ইতিহাস, সেঞ্চুরি মিস হাসান ইসাখিলের

বিপিএলে একসঙ্গে মাঠে বাবা মোহাম্মদ নবী ও ছেলে হাসান ইসাখিল। ছবি: সংগৃহীত
বিপিএলে একসঙ্গে মাঠে বাবা মোহাম্মদ নবী ও ছেলে হাসান ইসাখিল। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট মাঠে বাবা–ছেলের একসঙ্গে খেলার দৃশ্য খুব বেশি দেখা যায় না। বিপিএলের মঞ্চে সেই বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হলো দর্শকরা। আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী ও তাঁর ছেলে হাসান ইসাখিল প্রথমবারের মতো একই দলে নেমে স্মরণীয় জয় উপহার দিলেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে।

এর আগে ছয়টি টি-টোয়েন্টিতে বাবা–ছেলে ছিলেন প্রতিপক্ষ। এবার একসঙ্গে খেলেই নোয়াখালীর হয়ে গড়লেন ম্যাচজয়ী জুটি। আগে ব্যাট করে ১৮৪ রানের সংগ্রহে বড় অবদান রাখেন দুজন। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন নবী ও হাসান।

তবে ব্যক্তিগতভাবে ম্যাচটি কিছুটা আক্ষেপেরও। হাসান ইসাখিল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থেকে আউট হন। ১৮তম ওভারের শেষ বলে নবী আউট হওয়ার সময় হাসান ছিলেন ৯২ রানে অপরাজিত। পাঁচ বল পরেই সাইফউদ্দিনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নবী জানান, ছেলেকে তিনি সতর্ক করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘মাত্র ৮ রান দরকার ছিল, হাতে ১২ বল। আমি ওকে বলেছিলাম, শুধু মাটিতে খেলতে—ছক্কার দরকার নেই।’

তবে বাবার পরামর্শ না মানলেও কোনো আফসোস নেই হাসানের। তিনি বলেন, ‘আমি বড় সংগ্রহ দিতে চেয়েছিলাম। সেঞ্চুরি না পাওয়ায় খুব বেশি দুঃখ নেই।’

সেঞ্চুরি না পেলেও ক্যারিয়ার–সেরা ইনিংস খেলেছেন হাসান। বিপিএলের অভিষেক ম্যাচেই হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। এর আগে ৩১টি টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সর্বোচ্চ রান ছিল ৭২।

ছেলের ইনিংস দেখে গর্বিত নবী বলেন, ‘এত বড় মঞ্চে তরুণদের চাপ থাকবেই। সে সেটা দারুণভাবে সামলেছে। বাংলাদেশের উইকেটে পারফর্ম করা সহজ নয়। এই দিনের জন্যই সে অনেক দিন ধরে প্রস্তুতি নিয়েছে।

সম্পর্কিত