লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে না পারাকে কেন্দ্র করে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়াকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় একটি ফোনালাপের রেকর্ড স্থানীয়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ফোনালাপে গিয়াস উদ্দিন পলাশকে বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানের ব্যানারে নিজের নাম প্রধান অতিথি হিসেবে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়ার সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পরে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
ফোনালাপে পলাশকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি পানিওয়ালা যামু না, তোরা এইকগাও পৌরসভায় আসবি না।’ এ বক্তব্যকে হুমকি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের কেউ কেউ। তবে ছড়িয়ে পড়া ফোনালাপটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হুমকির অভিযোগের বিষয়ে তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি পুরোনো। পরে বিষয়টি সিনিয়র নেতাদের জানানো হলে তাঁরা বসে বিষয়টির সমাধান করে দেন। গিয়াস উদ্দিন পলাশ পরে তাঁর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
গিয়াস উদ্দিন পলাশের বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত একাধিকবার তাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পলাশের এক ঘনিষ্ঠ নেতা বলেন, ঘটনার সময় পলাশের মাথা গরম ছিল। পরে নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে শেখ কামরুল ইসলাম সভাপতি এবং গিয়াস উদ্দিন পলাশ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।