স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেসকো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ এবং ৪৯৩টি উপজেলা চেয়ারম্যান পদ রয়েছে। এছাড়া কাউন্সিলর ও মেম্বার পদেও বহু নির্বাচন হয়। এসব নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক অংশ নেন, যা শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তিনি বলেন, সংবিধানে এ বিষয়ে বাধা না থাকলেও এতে শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। একজন শিক্ষক নির্বাচনে অংশ নিলে তার প্রভাবে অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়ে, যা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে।
এ কারণে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন আইন প্রণয়ন করা উচিত যাতে সরকারি চাকরিতে থেকে শিক্ষকেরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। কেউ নির্বাচন করতে চাইলে আগে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো যেন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।