শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আগামী প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে স্বতঃপ্রণোদনা থাকতে হবে এবং তাদের নিজ দায়িত্বে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে সমাজে তাদের সম্মান স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের সময়ের অপচয় না হয়। এ লক্ষ্যেই ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন আগেই প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নিতে পারে।
মন্ত্রী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়াও ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে চার বছর মেয়াদি কোর্স নির্ধারিত সময়ে শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
নকল প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে পরীক্ষায় নকলের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে এবং ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অনিয়মের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্র সচিবদের সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর উন্নয়ন দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পার্বত্য অঞ্চলসহ সারাদেশে শিক্ষার মান উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ অন্যান্যরা।