২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা সূচি প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হবে ২০ মে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ৭ জুন থেকে ১৪ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি এবং এপ্রিল মাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও গত বছর ও চলতি বছরে সেই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে।
শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সেই নম্বর কেন্দ্রের মাধ্যমে বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।
পরীক্ষার্থীদের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। সৃজনশীল, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক—এই তিন অংশেই আলাদাভাবে পাস করতে হবে।
শুধুমাত্র নিবন্ধনপত্রে উল্লিখিত বিষয়েই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ। কেন্দ্রসচিব ছাড়া কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।
ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।