বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে উপজেলার রামগঞ্জ মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৃথক পৃথক স্টলে / শপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তুলে ধরেছে নানা রকম পিঠাপুলি ও পায়েস // এর মধ্যে গ্রাম বাংলার প্রায়ি পিঠা আবার নতুন ভাবে অতিপরিচিত হয়ে উঠে। প্রতিটা পিঠার ওপরে লেখা আছে পরিচিত নাম ও মূল্য। এসব পিঠার নামও বেশ বাহারি। শিশুরা বাবা-মায়ের হাত ধরে ঘুরে ঘুরে দেখছেন পিঠার স্টল গুলি । জানছেন নতুন নতুন পিঠা সম্পর্কে। এ সময় পুরো স্কুল মাঠ সেজে উঠেছে অন্যরকম এক মিলনমেলায়।
পিঠা উৎসবে ১১টি পৃথক স্টলে ছিল শতাধিক বাহারি রকম পিঠাপুলি ভাপাপুলি, দুধপুলি, আওলা কেশরি, পুলি, খিরুলি, পাটিসাপটা, জামাই সোহাগী, গোলাপ, চিতই, কানমুচরি, পায়েস, পুডিং, তেল পিঠা, দুধ চিতই, ফুল পিঠা, ক্ষির, মুঠা পিঠা, রস গোলাপ ও কেকসহ শতাধিক পিঠাপুলি। পিঠা উৎসবে ছিল শীতকালীন মুখরোচক খাবার হাঁসের মাংশ ও রুটি। জানা-অজানা পিঠার সম্পর্কে জানতে পেরে এবং স্বাদ গ্রহণ করতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা।
হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের শীতের এই পিঠার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনে খুশি অভিভাবক ও স্থানীয়রা। তাদের চাওয়া প্রতি বছরই যেন এমন আয়োজন করা হয়।
কলেজ অধ্যক্ষ নুর উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি গ্রামীন সংস্কৃতি চর্চা করতে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সমৃদ্ধি করতে আমরা এমন আয়োজন করে আসছি। ( দৈনিক নতুন চাঁদ ) ১০ জানুয়ারী ২০২৫ ...